রবিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৫

মাশরুম - অঞ্জন ঘোষ রায় এর কবিতা

 



আশ্চর্য উন্মাদনা হয়ে যায় শান্ত ঝিল, মোহ মায়া মেশা কালো জলের ধূর্ত স্থিতিস্থাপকতা, অনর্গল সাঁতারে গোঁজামিল ঢেউ, বিরক্তির উৎপত্তি। যুদ্ধ কি তবে বোকা প্ল্যাঙ্কটন?  সামরিক বাহিনী নিপাত যাক,রাজমন্ত্র আসলে খেটে খাওয়া মানুষের নিশপিশ দহন, খানিক ব্যাগ ভর্তি শুকনো আনাজ।আমি আসলে ভাল থাকার ব্যখ্যা মানি না,নতুন মাশরুম এর ভবিষ্যৎ মহীরুহ্, এ কথা নিশ্চিত নয়, যদিও ফুরিয়ে যাওয়া মানে শেষ হয়ে যাওয়া নয়, অবিকল বেহায়া গদ্যের মতন করে এগিয়ে যেতে থাকব চোখে কালো কাপড় বেঁধে।।


© অঞ্জন ঘোষ রায়।


শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

শিক্ষক দিবস ২০২৫

 



শিক্ষক দিবস উদযাপনের চেয়ে শিক্ষক খেদানোর রমরমা টা এখন বেশি, কিরকম? রাষ্ট্র থেকে ছাত্র ছাত্রী,অভিভাবক, পাড়ার ঝান্ডা ধারি মোটা সোনার চেইন ঝোলানো মস্তান যে যখন পারছে খেদিয়ে দিচ্ছে।একজন সুস্থ নাগরিক হয়ে শিক্ষক এর আগে খেদানো শব্দ উচ্চারণ করতে হচ্ছে এটা আমার কাছে শুধু লজ্জার নয়,গোটা সমাজের কাছে লজ্জার । হ্যাপী টিচার্স ডে, সেলিব্রেশন নয়,বরং শ্রদ্ধায় নত হয়ে যেতে হয় এমন এক দিন, শিক্ষক কারা? শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, এর বাইরে অসংখ্য মানুষ ,লঘু গুরু নির্বিশেষে ,এমনকি একটি ঘাস পোকা কিংবা মাকড়সা ও একটি শিক্ষক,এটা আরেকটু বৃহৎ প্রসঙ্গ, এটি তে তাই আমি যাচ্ছিনা,বুদ্ধিমান মানুষ নিশ্চই আমার বক্তব্য বুঝে গেছেন, নইলে বাকিরা আমাকে ভুল বুঝবেন, যাই হোক তবু পুরোটা পড়বেন। ফিরে আসি আজকের দিনের সাধারণ তাৎপর্য বর্তমানে কোথায়, দুর্নীতি গ্রস্থ শিক্ষক এর ভিড়,কে আসল কে নকল এর ভিড়, তিনু দাদা ঘাপটি মেরে শিক্ষকের মুখোশ পড়ে স্কুলের ভিতর দৌরাত্মের ভিড়, এসবের ঊর্ধ্বে প্রকৃত শিক্ষক দের অবস্থা কোথায়? তাদের জায়গা টা কোথায়? যে বাংলা মিডিয়াম এ পড়ে আমি বড় হয়েছি, সেই বাংলা মিডিয়াম কিভাবে কঙ্কাল সার হয়ে যাচ্ছে ,হয়ে গেছে,দেখে দুঃখ হয়, স্কুল বন্ধ হয়ে চলেছে অসংখ্য ( পরিসংখ্যান নিজে খুঁজে নেবেন) সুচারু পদ্ধতিতে বাংলা মিডিয়ামের কোমর ভেঙে দিয়ে ব্যবসার এক দারুন পথ ইংলিশ মিডিয়াম এর গজিয়ে ওঠা যত্র তত্র, আর বাবা মা এর সেকি অদ্ভুত আহ্লাদ, ছেলে কে "সাতটি তারার তিমির" বললে বোঝেনা অথচ সে ক্লাস নাইন অতিক্রম করেছে, সাত কে সেভেন বলতে হয়,তারা কে স্টার বলতে হয়, বাঙালি ধীরে ধীরে ব্রিটিশদের জোকার হয়ে যাচ্ছে,হাস্যকর একটা সব খুইয়ে ফেলা জাতি,তবু গর্বের অন্ত নেই। বাঙালি থেকে বাংলা চলে যাচ্ছে, অন্তঃসার শুন্য একটা প্রজন্ম তৈরি হচ্ছে, নকল একটা শিক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে কত কত ছেলে মেয়ে,আর শিক্ষা টা হয়ে গেছে পয়সাওয়ালা দের অধিকার। উচ্চ মার্গের ডোনেশন যারা দিতে পারছিনা,তাদের ছেলে মেয়েদের শিক্ষার জায়গা টা কোথায়? কি এক আলগা ছাত্রজীবন,কি এক অনিশ্চিত গন্তব্য,কি এক আদর্শহীন সময়, কেউ কবিতা পড়ছেনা,বই পড়ছেনা,এক পাতা টানা বাংলা রিডিং পড়তে না পারা প্রজন্ম,কপি পেস্ট কপি পেস্ট আর কপি পেস্টের শিক্ষা।এই শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে আস্থা হারিয়ে কত ছেলে মেয়ে অসময়ে টাকা রোজগারের দিকে ঝুঁকে পড়ছে , সেই সুযোগে ভর্তি হয়ে যাচ্ছে ঝান্ডা ওয়ালা দের সমাবেশ এর দিকে যাওয়া ম্যাটাডোর ।মানবিকতা ,আদর্শ,নীতিবোধ যা কিছুই শিক্ষক দের থেকে আমরা পেয়ে এসেছি, আজ এই যে বোধ থেকে দু কলম লিখতে পারছি ,তাদের ছায়া পেলোনা এই ছেলেমেয়ে গুলো।ভীষন যত্ন নিয়ে বানানো হচ্ছে এদের,রাষ্ট্র বানাচ্ছে এদের , শিক্ষা কে মৃত না বানালে ধর্মের অন্ধকার বপন হবে কিভাবে! অনৈতিক কাজ এর হাতেখড়ি হবে কিভাবে! ঠিক ভুল এর কোনো তফাত থাকা যাবে না,যোগ্য অযোগ্য বলে কোনো বস্তু থাকবে না,জঙ্গলের রাজত্ব তৈরী করতে হবে, বিদ্বেষ,ক্ষোভ,হিংসে,দুর্নীতি,অপরাধ,সমস্ত কিছু ঠেসে ঢুকিয়ে দিতে হবে, তৈরি করতে হবে রাজনৈতিক দল এর বশীকরণ এর অজস্র ফলাফল, যাদের রাষ্ট্র যাই বোঝাবে তাই বুঝবে, যন্তর মন্তর ঘর অদৃশ্য হলেও গোটা দেশ ই এই ঘর,আমরা যারা বুঝছি তারা সংখ্যা লঘু, ধর্মীয় নেশা ,জাতপাত,রাজনীতি নিয়ে মত্ত হয়ে আছি।শিক্ষার প্রসার কোথায়,প্রান্তিক মানুষ এর শিক্ষা দূরের কথা,মফস্বলের ছেলে মেয়েরা শিক্ষার মৌলিক অধিকার পাচ্ছে? আমরা এড়িয়ে যাচ্ছি রোজদিন।

প্রকৃত শিক্ষকদের যন্ত্রণা টের পাই,তারা সবটা দেখছেন,অস্বস্তিতে ভুগছেন,অনেকে মেনে নিয়েছেন , দীর্ঘশ্বাস ছাড়া আর কিছুই প্রকাশ করতে পারছেন না, এই রকম একটা বাল এর শিক্ষা ব্যবস্থায় দাড়িয়ে শিক্ষক দিবসে আমার মতন অছাত্র আর কি বা বলতে পারে, মেনে নাও বন্ধু, প্রণাম জানাই, আমার সেসব শিক্ষকদের ,যাদের নাম আমার মৃত্যুর আগে পর্যন্ত মাথায় থাকবে, প্রতিটা কবিতা গান লেখার আগে ,,প্রতিটা গম্ভীর ভাবনার আগে মনে হয় ভাবতে শেখানোর জন্য তো ওই শিক্ষকেরাই দায়ী,নইলে নিজেকেও হয়তো মেটেরিয়ালিস্টিক জীবনের পিছনে দৌড়ানো অবস্থায় খুঁজে পেতাম,কিংবা দিশাহীন নীতিহীন আদর্শহীন এক হালকা প্রজন্মের পোকা মাত্র তৈরি হতাম।

টেক্সট বুক এর বাইরে যেসকল শিক্ষক চিরকাল ছেলে মেয়েদের জীবন এর আদর্শ শিখিয়ে গেছেন,তাদের প্রতি আমার একটু অতিরিক্ত অগাধ শ্রদ্ধা বরাবর,ভালো থাকবেন প্রত্যেকে, মিস করি আপনাদের❤️

© অঞ্জন ঘোষ রায়

শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫

নয় বছর পর - A Short Story by Anjan Ghosh Roy 2025

 

 নয় বছর পর - A Short Story

আজ অফিসে যাওয়ার সময় আগের ট্রেন টা মিস করে পরের ট্রেনে উঠলাম। ভিড় তেমন ছিল না, এক জনের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলাম। হঠাৎ দেখি, সামনেই একটি মেয়ে—হাজবেন্ড সঙ্গে। মেয়েটি কয়েক সেকেন্ডের জন্য আমার দিকে তাকাল, আমিও তাকিয়ে থাকলাম কয়েক সেকেন্ড, মনে হচ্ছিল, চেনা, কিন্তু কোথায় কিভাবে মেমোরি বক্স খুলে খুঁজতে থাকলাম,খুঁজে পেলাম,

মেয়েটার হাসি একেবারে সেই ৯ বছর আগের মতোই। সাজগোজটা স্নিগ্ধ, মিষ্টি মুখ, সদ্য কয়েক মাস এর বিবাহিতা।বলে উঠল—“কেমন আছিস?”

আমি ওর দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে মুহূর্তেই মনে পড়ে গেল ৯ বছর আগের কথা। কলেজে পড়ার সময় একই টিচার এর কাছে মর্নিং ব্যাচে ‘অ্যাকাউন্টস’ পড়তে আসত ও, স্নিগ্ধ একটি মেয়ে। ওকে অন্যদের থেকে আলাদা মনে হতো,ভালো লাগতো ওকে,এত বছর পর হঠাৎ দেখে বুকের ভিতর পায়রা ওড়ার শব্দ উঠল, এই রহস্য একান্ত আমার, এ খবর কেউ জানে না। ও ভালো ছিল পড়াশোনায় , আর আমি ঠিক তার উল্টো না হলেও, অত টা নই, তাই খুব একটা বেশি কথাবার্তা বলার সাহস হতো না।

এরপর ও হেসে আবার জিজ্ঞেস করল—“কবিতা লিখিস? গান গাস এখনো?”

পুরনো দিনের নস্টালজিয়া হঠাৎই ফিরে পেয়ে ,আমার ভীষণ ভালো লাগল, যাক মনে রেখেছে আমাকে এভাবে, এই পরিচিতি টাই তো চাই আমি, এতগুলো বছর পরেও আলাপ দেখা কিছু না থাকা সত্ত্বেও কেউ মনে রেখেছে আমি লিখতাম, গান গাইতাম,বিশাল প্রাপ্তি আমার কাছে, এই ছোট ছোট ঘটনা গুলো আমার কাছে আলাদা রূপে উপস্থিত হয়, ভেবে শান্তি পেলাম যে আমি কবিতা ছেড়ে দিইনি, আঁকড়ে ধরে রেখেছি,এগিয়ে চলেছি নিজের মতন করে। যদি সত্যি ছেড়ে দিতাম, আজ লজ্জায় মুখ দেখাতে পারতাম না,কি বলতাম? হেরে গেছি? একজন হেরে যাওয়া কবি আমি হতে চাইনি।

মানুষ টা মনে রেখেছে—এটাই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। ও আমাকে মনে করিয়ে দিল আমার সেই শুরুর দিনগুলো, কবিতা লেখা আর গানের শুরুটা, গন্তব্য স্টেশন এলে ও নেমে গেলো হাজবেন্ডের সাথে, আমি নিজেকে জিগ্যেস করলাম আবার কি দেখা হবে? আবার কি ৯ বছর পর এভাবে দেখা হবে?

ওকে মনে মনে শুধু একটা কথাই বললাম—ভালো থাকিস সবসময়। একজন শিল্পীর কাছে এই স্বীকৃতিটুকুই আসল পাওনা,যেটা তুই ন বছর পর আচমকা দিয়ে দিলি, ভীষন ভালো থাকিস। ট্রেন ছেড়ে দেওয়ার পর ওর খানিক আগে বসে থাকা ফাঁকা সিট তখনও ওর মতো করেই আমার দিকে তাকিয়ে ছিল, জিজ্ঞেস করছিল "কবিতা লিখিস এখনো? 


-© অঞ্জন ঘোষ রায়।।


রবিবার, ২২ জুন, ২০২৫

SelfTalk - প্যাডেল

 

গান,কবিতা , এই দুটো জিনিস নিয়ে বহু বছর কেটে গেল আমার,নিজের মতন করে। কিছুই শিখিনি,কিংবা এভাবেই শিখছি হয়তো। সামাজিক মূল্য বলতে যেটা বোঝায় সেটা পাইনি,নিজের অক্ষমতা হিসেবেই ধরে নেওয়া মঙ্গল।সস্তা কন্টেন্ট বানিয়ে অনেক কিছু পেয়ে যাওয়ার সময় এটা,আমি সেই এক দায়সারা কবিতা আর নিজস্ব শান্ত সহজ গান নিয়ে ,কোনরকম ভাবে টিকে আছি।অদ্ভুত বিষয় এটাই, টিকে আছি।এই যে টিকে থাকা টা,এইযে না থামা টা,এই যে থেমে গিয়েও আবার শুরু করা টা,এইযে হেঁটে যাওয়াটা,কেন করছি????? শুধু নিজের ইচ্ছে বলে?? যদি কবিতা গান এসব না থাকত আমার কাছে দেওয়ার মতন,তখন আমি কি করতাম? কি জানি ..

আমি লেগে রয়েছি।পরিচিত শুভাকাঙ্ক্ষী যারা ,প্রশংসা করে,উৎসাহ দ্যায়,ভালো লাগে। জীবন টা হল সাইকেল এর মতন, পড়ে যেতে না চাইলে প্যাডেল করতে হয়,কোথায় যেন শুনেছিলাম, আমি প্যাডেল থামাইনি, এখানে আমি মাধ্যম, ইউনিভার্স ই সব।আগামীতে কি হবে,কোথায় যাব, থামবো না দৌড়াবো,কিছুই জানিনা।সেটাও ইউনিভার্স এর হাতে,আমি কর্মী মাত্র।।

কেউ শুনুক না শুনুক ,গান তো আমি গাইবই,,

কেউ পড়ুক না পড়ুক কবিতাও আমি লিখব।

আমার থেকে সমাজ ঘৃণা বিদ্বেষ হিংসা না পাক, সেসব দেওয়ার অসংখ্য অজস্র মানুষ আছে,আমার থেকে সমাজ না হয় একটু গান পাক ,কবিতা পাক, যা কিছু ভালো আমার,তাই পাক, নিঃস্ব না হলে শিল্পীর মৃত্যু আসে না তো!

আর জন্ম ও সার্থকতা পায় না।।

_ অঞ্জন ঘোষ রায়।

শনিবার, ৭ জুন, ২০২৫

গাছ হত্যা

 

গাছ হত্যা 

এই বিপুল সংকীর্ণতা কোথায় লুকিয়ে রাখবে? 

গা বেয়ে পড়ছে জলীয় হিংসা, 

তোমার চোখ থেকে ঠিকড়ে বেরিয়ে আসছে 

গাছ হত্যার আকাঙ্ক্ষা।

ধুলো দিয়ে ছবি এঁকে অমরত্ব পেতে চেয়ে 

বর্ষা চেয়ে ফেলেছে নাক উঁচু মানুষ।

কাদের ঘুড়ি ওড়ানো যেনো  বানচাল হয়ে গেছে, 

হাওয়া তে দুঃখ মিশেছে বলে।।

© অঞ্জন ঘোষ রায়

বুধবার, ২৮ মে, ২০২৫

মৃত মিথ


মৃত মিথ

© অঞ্জন ঘোষ রায় 

মৃতমিথ এর সাথে চুক্তি করেছে স্বাধীন যুক্তিবোধ।

যুদ্ধের আগে কেউ কখনো স্বেচ্ছায় রক্তদান করেনা ,

 মগজের ঠিকানার ট্যাগ লাগাই কবরের ঠিক নিচে,

ওরা ফিরে আসবে না বলেই ওদের খোরাক বানায় নগরপিতা,

ঘুরে ফিরে জল মেঘ ইত্যাদি সেজে আবার জলেই ভ্রমণ সেরে নিতে থাকে।

যারা জানি তারা জানি সময়ের খরা মৌসুমে,

কারা ঠিক আপাদমস্তক জলে ডুবে থাকে।।


© অঞ্জন ঘোষ রায় ২০২৩

রবিবার, ১৮ মে, ২০২৫

অন্তর্মুখী

 

অন্তর্মুখী - © অঞ্জন ঘোষ রায়।

একদমই দুশ্চিন্তাহীন একটা মানুষ আমি, নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে যাই রোজ, ছোট চারাগাছ দের দেখি সকালে ঘুম থেকে উঠে, ন্যাড়া ছাতিম গাছের ডাল গুলিতে বসে থাকে বিভিন্ন পাখিদের দেখি, পুকুরের মাছ দের হাপুস হুপুস করে শ্বাস নেওয়া দেখি, ডুবে যাওয়া দেখি। ট্রেন এ উঠে মানুষের মুখ দেখি, জানলায় আলো দেখি, সানগ্লাস এ চোখ ঢাকি, কান্না হোক কিংবা রোদ। খুব আলোতে আমার অস্বস্তি হয়, অন্ধকারে আমার শান্তি লাগে, অনেক মানুষ এ আমার দম বন্ধ লাগে, একজন প্রিয় মানুষ এ আমার সুখের মিছিল। কেমন যেন একটা, আপাদ মস্তক ইতি বাচক নাকি নেতি বাচক , বুঝেই ওঠা যায়না। তবে ভিড় এর বাইরের কথা বলতে বলতে উপলব্ধি করা যায় , এখানে এক স্বকীয় আলো তো আছেই, তবুও একটা অন্তর্মুখী মানুষ শৈশব যুবক তো ঘাড় গুঁজেই আছে, চারদিকের এত আলো থেকে পালাচ্ছে আর পালাচ্ছে, যদিও যাহাই আলো তাহাই অন্ধকার,সেকথা সকলেই জানে। কাকে বলি এসব কথা?কাকে বোঝাই আমার দ্বারা কিস্যুই যে হবার নয়, কবিতা লিখেও কবিতা বেচতে জানিনা আমি, গান ভালবেসেও গান গাইতে জানিনা আমি।এই জন্ম আমাকে অনেক কিছুই দিয়েছে আশীর্বাদের মতন করে, কিন্তু পাত্র দ্যায়নি, জাতে ঢেলে আমি খেতে পারি বা খাওয়াতে পারি। আমার এগিয়ে যাওয়া ভালবেসে যেটুকু সম্ভব করে যাওয়া, করেও যাই, কিন্তু নিজের ভিতরে এত ফাঁকা ফাঁপা ফোঁকর আছে, তাদের আমি পূরণ করতে পারিনা। আমি এই ঘাটের ও না, ওই ঘাটের ও না, আমি ওই ছাতিম গাছের উপর এদিক ওদিক তাকাতে থাকা একলা চিল, যার আকাশে দাপট দেখানোর ইচ্ছা থাকলেও, ডানা ছোট থাকার কারনে মেনে নিতে হয়, এভাবেই জীবন কে মিষ্টি করে ভালবেসে নিতে হয়, তবুও নিজের না পারা গুলো নিয়ে লজ্জা হয়, এক ঘরে থাকি , জীবন কে ভালো ও বাসি।

মনে হয় , এই জীবন অতি দ্রুত কেটে যাক এবার,আমার তো আর কিছু ই করার নেই,যা কিছু নিজের আছে তোমার কাছে বরং গচ্ছিত রেখে যাই।।


শনিবার, ১০ মে, ২০২৫

ফারাক

 

ফারাক (2020)

বিস্তর ফারাক আছে তোমার আমার সিমানায়,

এক পা এগিয়ে গেলেই হয় ইস্পার নয় উস্পার।

শহরের ফ্রিজের ভিতর সমস্ত মানুষের হৃৎপিণ্ড

নুন মাখিয়ে রাখা আছে,

আর নিজের টা প্রেমিকার বুকের ভিতর গেড়ে রেখেছি,

বহাল তবিয়ত। যেন বোমা রেখেছি জলের নিচে 

তাজা থাকবে বলে, হাস্যকর।

ভাবছি,

এলোপাথাড়ি ভালবাসার বুলেট জমিয়ে

একটা কুয়াশা ভর্তি প্রাসাদ কিনব

নিজেকে লোকাব সেখানে, কিন্তু ছুঁড়ে দেব 

কিছু প্রকাশ্য প্রশ্ন

যার উত্তর দিতে দিতে রাত নেমে যাবে,

জঙ্গল থেকে লোকালয়ে পৌঁছে যাবে 

সন্ত্রাস এর নেকড়ে ।


© অঞ্জন ঘোষ রায়।।


ছবি - পিন্টারেস্ট


-অঞ্জন ঘোষ রায়

শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৫

চ্যাটবক্স

 

চ্যাট বক্স 

অঞ্জন ঘোষ রায় 

চ্যাটবক্স এর দিকে তাকিয়ে থাকলাম 
যতক্ষণ দাঁড়িয়েছিলাম ট্রেইন এর ভিতর স্থির ভাবে,
 সমস্ত ফিরতি মানুষ দের মাঝখানে 
একটা বেবোধ গ্রহের মতন । 
চ্যাটবক্স জ্বলছে , সেখানে শব্দ নেই, 
তারিখ ছাড়া ক্যালেন্ডার এর দিকে 
তাকিয়ে আছি যেন, কোনোভাবেই খুঁজে পাচ্ছিনা 
পূর্ণিমা অমাবস্যা ছুটির দিন গুলো কবে, 
শুধু তাকিয়ে আছি। স্টেশন পেরিয়ে যাচ্ছে,
গাছ গুলো অন্ধকারে দৌড়ে যাচ্ছে,
আমি ঠাঁয় দাড়িয়ে আছি ,
রোদ নেই,নোনাজল আছে, দাড়িয়ে আছি চোখ গুঁজে।
সাবধানে যেতে যেতে অসাবধানে পা পিছলে যায় না
কেনো? চোখ ধাঁধিয়ে গেলে দৃষ্টি মরে যায় না কেন?
আমি তাকিয়ে আছি বিবশ হয়ে, বেবোধ গ্রহের মতন,
তোমাদের কি হাসির খোরাক হয়ে উঠছি আমি??
কবিতা লিখছি বলে!

© অঞ্জন ঘোষ রায় ২০২৫ ,২৫ এপ্রিল

সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৫

অথচ

 

ছবি - পিন্টারেস্ট

 "অথচ"--- (রচনাকাল ২০১৮)


তুমি যত বার মেটাফর মিশিয়ে দিচ্ছ

আমার ধৈর্য হারিয়ে যাচ্ছে,

আরো শীঘ্রই আমি অন্ধকারে ঢুকে যাচ্ছি।

এখানে শ্বেত কাঞ্চন এর কোনো গন্ধ নেই,

আমার জীবন এর মতই,কিন্তু উজ্জ্বল।

কত চমকপ্রদ উপস্থাপন,তবু মন খারাপ হয়,

হঠাৎ মৃত্যু তো জন্ম শব্দের সমানুপাতিক!

একটা মৃত্যু নতুন জন্মের খোঁজ দিয়ে চলে যায়।

যে পিরামিডের ভিতর দিয়ে একটা সরুপথ হেঁটে যায়,তুমিও থাকো হতে পারে ছায়া সেজে,

আমি বুঝি ছায়া নয়।

তাকে তো আমি ভুলিনি,

কাঠগোলাপের রং তার সারাদেহে ত্বকে,যে করুণ সংলাপে গোটা মনন ঢেকে গেছিলো কোনো একদিন, 

তা কখনোই ভুলে যাবার জন্যে নয়।

কুড়ি ঝরে যায় নি,শুধু তুমি আমাকে

আড়ালে আড়ালে আড়ালে কবিতা পাঠ শিখিয়েছ।

আমি এখন অন্ধকার গলিতে মশাল নিভিয়ে হেঁটে বেড়াই,

সারা টা রাত গলিপথ শেষে মুক্তির অপেক্ষায়

তুমি দাড়িয়ে থেকো,

তখন যেনো এই ছায়ার অভিনয়

 বেঁচে না থাকে, মাথায় রেখো ।।

Anjan Ghosh Roy

রাত , কালো ও আমি


ছবি - পিন্টারেস্ট

রাত , কালো,আর আমি" 

(রচনাকাল ২০১৮)


দিন হয় হয়তো!কি জানি,আমার ঘরে তো হয় না।

আমার সারা ঘরে সোঁদা অন্ধকার,হিম পড়ে সারারাত,

জোনাকি দের আত্মারা বৈঠক করে,

আমি অন্ধকারেই বই পড়ি ।

আঙুল ধরি ছায়াপথ এর,বিশ্রাম নিতে উদ্যত হই ,

অদ্ভুত বিশ্রাম,, যার সারমর্ম মানুষ খুঁজে বেড়ায় চিরকাল..

একটা ফিলামেন্ট কাটা বাল্ব ঝুলে থাকে আকাশ থেকে সারাক্ষণ,

আমি তো জন্ম থেকে একেই সূর্য ভাবি।

খুব শীত এলে আগুন পোহাই,,শীত শীত আগুন,নিভু নিভু তাপ।

গতপরশু এই অন্ধকার এর দেওয়াল বেয়েই পৌঁছে গিয়েছিলাম কোথাও একটা,

বিস্তর নির্জন এলাকায় কে যেন ধুপ জ্বালিয়ে গেছে,

আর তার থেকে লিকলিকে রোগা ধোঁয়া এঁকেবেঁকে উঠছে ,

তার গতিপথ আমি ঠাহর করতে পারিনি,

শুধু শুকনো মুখ নিয়ে পায়ের ছাপ চিনে চিনে 

বাড়ি ফিরে এসেছি ,নিজের ঘরে,

কয়েদি সেজে আবার নিজেরই 

কাগুজে জেলখানায়।।


©অঞ্জন ঘোষ রায়। 

২০১৮

বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৫

ওয়েদার - একটি গদ্য


ওয়েদার - একটি গদ্য

অঞ্জন ঘোষ রায়



যেভাবে তাকিয়ে আছি একভাবে আয়নার দিকে,ভেবেছিলাম ফেটে যাবে।

নিজের উপর রাগ হতে হতে কখন যেন করুণার পাত্র বানিয়ে ফেললাম নিজেকে,

নিজের থুতনি ধরে দেওয়ালে ঠেস দিয়ে দাড়া করলাম,একটা কষানো থাপ্পড় মেরে চোখে চোখ রাখলাম।

আমি কাঁদছি,চোখ থেকে জল নেমে যাওয়াটা আগে বন্ধ করতে হবে,আমি আমাকেই বললাম ,ব্যক্তিগত দিকে তুমি কারো নও,কেউ তো তোমাকে ভালোবাসবে বলে বসে নেই,

এটা বুঝতে  হবে,  ভালোবাসো বলেই যে বারবার তা বলে যেতে হবে,বলে বোঝাতে হবে,কেন এই ছেলেমানুষী! আমি বুঝি তোমার সততা,তোমার উপলব্ধির স্তোত্র,তোমার ভিন্নধর্মী মিছিলের স্লোগান ,সব বুঝি,তবু  ,এমন তো কোনো দায়বদ্ধতা নেই ,নিজেকে শাসন করো ,আমি তাই জন্য তোমাকে দেওয়ালে ঠেসে ধরতে বাধ্য হলাম । তুমি জানো কার থেকে দূরে চলে যাচ্ছ ? যে তোমাকে একটা মুক্ত মাঠের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা কবিতা পাঠ এর মতন করে পছন্দ করে,যে তোমার ভিতর এর মানুষ এর উচ্চতার সাথে তাল মেলাতে পারে,

যে এতকিছু জানে , তুমি তার থেকে সরে যাচ্ছ শুধু ভালোবাসো বলে? ভালোবাসো,, কিন্তু, যেভাবে কবিতাকে বেসেছ,,,টের পেয়েছে কেউ? কবিতা জানে, যে শুদ্ধতা আছে,যাকে আগলে রাখতে হয়,লালন করতে হয়,তোমায় আর নতুন করে এসব বোঝাতে ভালো লাগে না আর।

এসব ভাবতে ভাবতেই ওয়েদার ফরকাস্ট এর ম্যাসেজ ,নোটিফিকেশন শব্দ,স্ক্রিন জ্বলে ওঠা, বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত , ঝড়ো হাওয়া।এই বৈশাখের সাদা রোদের তাপ থেকে নিষ্কৃতি পেতে কে না চায়! ঘেমে গেছি, 

আয়না এখনো ফেটে যায় নি,নিজেকে দেখতেও পাচ্ছি দিব্যি, ঘর টা গুমোট হয়ে রয়েছে,দুটো জানলা দরজা সমস্ত বন্ধ করে রেখে বসে আছি সারা দুপুর। হাত বাড়িয়ে চেয়ার থেকে প্যান্ট টা নিয়ে দু পা গলিয়ে উঠে দাড়িয়ে জানলা টা খুলে দেখলাম,

বুঝলাম আয়না না ভাঙার কারণ টা কি।

আমি অন্য মানুষ হয়ে গেছি,যেটা অনেকটা নদীর শব্দের মতন,অনেকটা হালকা,অনেকটা কাছে কাছে থাকা অদৃশ্য ছায়ার মতন। শান্ত চোখ,আঙুলে হাতে কন্ঠে ধীরতা। ঘর টা একটু আলো পেয়েছে,বন্ধ হাওয়া ঘুরপাক খেতে খেতে ভারী হয়ে উঠেছে,যাক,বাইরে যাক,উড়ুক। অনিচ্ছাকৃত কোনো খাঁচা বানানো তো আমার উদ্দেশ্য নয়,আমি ও তো আকাশের উদারতার কথা বলি,তোকে ছুঁয়ে উদারপন্থী দের মন্ত্র পাঠ করি। আমি ক্ষমা চেয়ে নিতে পারি ভীষন সহজেই,তুই তো জানিস সবই,ক্ষমা করে দে,হাত ধরে দেখ ঠান্ডা হয়ে আছি,যেভাবে তুই স্নান করে এলি এক্ষুনি। ঠাণ্ডা থাই এর কাছে আমাকে জমিয়ে রাখবি কখনো? একবার রাখিস। ভালোবাসার দাবি নিয়ে দাঁড়াচ্ছি না যে সরে দাড়াবি,এ কোনো দাবি নয়,আবদার এর একশেষ। 

ছাদ এর একদম ধার ঘেঁষে দাঁড়িয়ে নিজেকে ভিজিয়ে দেবার ইচ্ছা থাকলে ও হয়ে উঠলো না,কিন্তু বৃষ্টিতে তো ভিজতে হবেই। ঝড় মেঘ ,বিশাল চাপ চাপ মেঘের ভার,ওদিকে সশব্দ বাজ পড়তে থাকা,তুমুল বৃষ্টি,সে এক তুলকালাম কান্ড।তোকে হেঁটে যেতে হলো শাওয়ার এর নীচে। বাইরে মেঘ,ভিতরে বৃষ্টি, মাঝখানে কোনো দেওয়াল নেই,ধরে নেওয়া যাক কোনো ছাদ নেই, তুই একভাবে দাড়িয়ে দাড়িয়ে মন খারাপ কে ধুয়ে ফেলছিস,কিংবা চিন্তা।

অদৃশ্য ছায়ার মতো ছাদের এক কোণে বসে বসে আমি ভিজছি,তুই দেখতে পেলে ডাকতি আমি জানি,ভিজতে দিতি না, দোতলার বারান্দায় অথবা শাওয়ার এর নীচে দাড়িয়ে দুজন সিগারেট টেনে নিতেই পারতাম,কিন্তু নাহ,, তোর অন্যমনস্ক চোখের কাছে ঝড় বৃষ্টি কেও যেন কম রহস্যের লাগে, বরং সেটাই দেখে বাড়ি ফিরে আয়না ভেঙে ফেলি,আর নিজের মাথায় চাটি মেরে বলি, মানুষ হারানো পাপ যদি মানুষ মানুষই হয়। মেঘ টেগ কেটে গিয়ে হালকা রঙের রোদ উঠেছে বেশ.…..


© অঞ্জন ঘোষ রায়

১৭ই এপ্রিল,২০২৫


মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৫

স্থায়ী ঋতু

 


স্থায়ী ঋতু 

- অঞ্জন ঘোষ রায় 

আমি ধরতব্যের মধ্যেই পড়ি না, এটা বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় যেহেতু আমি অপরাধ করিনি কোন ও। কিকরে আমি তোর উচ্চতা কে অস্বীকার করি, এত এত মানুষ এর ভিড় এ যে মুখ উজ্জ্বল থাকে সব চেয়ে বেশি, সেটা তুই, অথচ দুর্ভাগ্য বশত আমি কখনোই তোর সামনে দাড়াই নি, যেদিন সামনে যাব, হয়তো এত কথা বলার অবস্থাই থাকবেনা, আমার বাস্তব কে স্বপ্ন ভাবতে ইচ্ছে হবে, আমার মনে হতে পারে এই সবচেয়ে প্রিয় মানবীর সাথে আমার কেনই বা এতকাল পর দেখা হল। তবে দুর্ভাগ্য আবারও , কফিনের পেরেক ঠুকে শব্দ করে আমাকে নিজেকে নিজে জানান দিতে হবে, এই মায়া মানবী হাওয়ায় মিশে যেতে পারে, যদি প্রকাশ করে ফেলি এই আকুতি, এ ভারি অন্যায় আকুতি, এর শাস্তি এটাই, চুপচাপ নিজের প্রেমিক সত্তা কে আড়াল করে দাও, অভিযোজন তত্ত্বের সবচেয়ে নিখুঁত প্রয়োগ করে ফেলতে হবে, আমাকে হয়ে যেতে হবে তীব্রতর বন্ধু, যেমন বন্ধু কখনো পালিয়ে যায়না, কখনো হারিয়ে যায়না, যেমন বন্ধু প্রেমিকের চেয়েও সাংঘাতিক ভাবে থেকে যেতে চায়, যেমন বন্ধু অপরদিকের কান্নার সঙ্গী হয়ে দুঃখ দের ওজন হাল্কা করে নিতে চায়, সত্যি বলতে যেমন বন্ধু পাওয়া যায়না এই মানুষের কর্পোরেট জঙ্গলে।


তুই তাড়িয়ে দিলে সেটা আমার মানবিকতার পরাজয়।


কিভাবে কখন কি হয় কেউ জানেনা, যেভাবে আইজাক এর আগে মানুষ জানত না আপেলের সাথে জমিনের সম্পর্ক, যদি আর কখনো আলাপ ই না হত, কিভাবে জানতাম যে আমি একাই এই উচ্চতায় ব্যাক্তিগত পরিসরে হা হুতাশ করছি ,একাই স্থির হয়ে বসে আছি, আর ভাবছি বিন্দুর মতন একা হয়ে গেলাম হয়তো, কিন্তু নই, তোর উপস্থিতি আমাকে বুঝতে শেখায় আমার গুরুত্ব, আমার অভিনবত্ব, তোর চোখের দিকে তাকিয়ে থাকলে যেভাবে ডুবে যাই, সেভাবে আমার মতো সাবমেরিনের গায়ে তোর লেখা দের ও খোদাই হোক, অস্থায়ী ঋতুর ভিতর আমি কি একাই স্থায়ী হতে চাই?


এত বড় অন্যায়? এর জন্য শাস্তি হিসেবে তোর দিক থেকে কথা বলা কমে যায়? আয় , যেটুকু সম্ভব সুখ অসুখের কথা হেসে খেলে বলি...স্বাভাবিক হয়ে যাই।।


© অঞ্জন ঘোষ রায়।।

মাশরুম - অঞ্জন ঘোষ রায় এর কবিতা

  আশ্চর্য উন্মাদনা হয়ে যায় শান্ত ঝিল, মোহ মায়া মেশা কালো জলের ধূর্ত স্থিতিস্থাপকতা, অনর্গল সাঁতারে গোঁজামিল ঢেউ, বিরক্তির উৎপত্তি। যুদ্ধ কি ...